মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫

বিএলআরআই আইন

 

[বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত সংখ্যা, ২৩ এপ্রিল, ১৯৮৪]

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার

আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়

প্রজ্ঞাপন

ঢাকা, ২৩ এপ্রিল, ১৯৮৪

নম্বর ৩৭৯-পাবঃ- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ১৭ এপ্রিল, ১৯৮৪ তারিখে প্রণীত নিম্নবর্ণিত অধ্যাদেশটি এতদ্বারা সাধারণের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করা হইলঃ-

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন ২০১৪

(অধ্যাদেশ নম্বর- ২৮, ১৯৮৪)

অধ্যাদেশ

           বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের লক্ষ্যে প্রণীত

            যেহেতু একটি প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং এতদসংশ্লিষ্ট বা প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি/কার্যাদি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে পূরণকল্পে বিধান প্রণয়ন প্রয়োজন।

            এক্ষণে, সেহেতু ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তারিখের ঘোষণা অনুসারে এবং উক্ত ঘোষণায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি নিম্নরূপ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারী করিলেন।

১.         সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রয়োগ।- (১) এই আইন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট আইন, ১৯৮৪ নামে অভিহিত হইবে।

(২)        এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হইবে।

২.         সংজ্ঞা।- বিষয় বা প্রসংঙ্গের পরিপন্থী কিছু না থাকিলে, এই আইনে,

(ক) ‘বোর্ড’ অর্থ ইনস্টিটিউটের বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট

(খ) ‘‘চেয়ারম্যান’’ অর্থ বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট এর চেয়ারম্যান;

(গ) ‘‘ইনস্টিটিউট’’ অর্থ ধারা-৩ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত; বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট

(ঘ)  ‘‘ সদস্য’’ অর্থ বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট এর একজন সদস্য; এবং

(ঙ) ‘‘নির্দেশনা’’ অর্থ এই আইনের আওতায় নির্দেশিত বিধি এবং প্রবিধান।

৩.         ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাকরণ, - (১) এই আইনের উদ্দেশ্য সম্পাদন করার জন্য একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হইবে, যাহা বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে অভিহিত হইবে।

(২)        ইনস্টিটিউটের একটি কর্পোরেট বডি (body) হইবে যাহার অন্তহীন পরস্পরা থাকিবে এবং একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন, ধারণ এবং নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা থাকিবে এবং উক্ত নামে আদালতে মামলা করা বা বিবাদী হওয়ার ক্ষমতা থাকিবে।

৪.         সাধারণ নির্দেশনাঃ এই আইনের আওতায় প্রণীত বিধি, বিধান অনুসারে ইনস্টিটিউটের সাধারণ নির্দেশনা, প্রশাসন এবং তদারকি সংক্রান্ত কার্যাদি পরিচালনার ক্ষমতা একটি বোর্ড অব গভর্ণরস্ এর উপর অর্পিত হইবে, যাহা ইনস্টিটিউটের পক্ষে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ এবং সকল কার্য ও বিষয়াদি সম্পাদন করিবে।

৫. বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট- নিম্নে বর্ণিত সদস্যগণ দ্বারা বোর্ড অব ম্যানেজমেন্ট গঠিত হইবে, যাহারা হইলেন

(ক)       মন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, যিনি বোর্ডের চেয়ারম্যান হইবেন;

(খ)        সচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, যিনি পদাধিকার বলে বোর্ডের ভাইস- চেয়ারম্যান হইবেন;

(গ)        সচিব, অর্থ বিভাগ, পদাধিকার বলে;

(ঘ)        নির্বাহী ভাইস-চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, পদাধিকার বলে;

(ঙ)        উপাচার্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পদাধিকার বলে;

(চ)        সদস্য (কৃষি) পরিকল্পনা কমিশন, পদাধিকার বলে;

(ছ)        মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, পদাধিকার বলে;

(জ)       ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রমে নিয়োজিত আছেন এমন দুইজন ব্যক্তি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন;

(ঝ)       প্রাণিসম্পদ বিষয়ে আগ্রহী আছেন এমন দুইজন ব্যক্তি সরকার কর্তৃক মনোনীত হইবেন;

(ঞ)      ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, বোর্ডের সদস্য-সচিব হইবেন।

৬.         ইনস্টিটিউটের কার্যপরিধিঃ         ইনস্টিটিউটের কার্যপরিধি হইবে;

(ক)       গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে প্রাণিসম্পদের মৌলিক সমস্যা নির্ণয় এবং ইহার সমাধান করা;

(খ)        প্রাণীর বিভিন্ন প্রকার রোগ দ্রুত সনাক্তকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবন এবং ইহার চিকিৎসা প্রদান;

(গ)        ব্যকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং পরজীবি বিষয়ক প্রচলিত প্রাণিরোগের ইপিডিমিওলজিক্যাল চর্চা এবং উৎপাদনের উপর ইহার স্বাস্থ্যগত ক্ষতিকর প্রভাব নির্ণয়;

(ঘ)        প্রাণী এবং পোল্ট্রিতে বিভিন্ন প্রকার জীবানু দ্বারা সৃষ্ট রোগের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থা চর্চা এবং যথাযথ প্রতিষেধক উৎপাদনের জন্য লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন;

(ঙ)        দুধ, মাংস ও কর্ষণ শক্তি উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক প্রাণিসম্পদের উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং ডিম ও মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক পোল্ট্রির উন্নত জাত উদ্ভাবন;

(চ)        ঘাস ও প্রাণী খাদ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য উন্নত উৎপাদন পদ্ধতি উদ্ভাবন; শষ্য উপজাত, নষ্ট দ্রব্যাদি এবং অপ্রচলিত খাদ্য সামগ্রীর যথাযথ ব্যবহারের কৌশল উদ্ভাবন দ্বারা প্রাণিসম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি করা;

(ছ)        লালন-পালনের উন্নত কৌশল চর্চার মাধ্যমে প্রাণী ও পোল্ট্রিকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং উৎপাদন বৃদ্ধি করা;

 (জ)      প্রাণী চিকিৎসায় দেশীয় গাছ-গাছড়ার ঔষধী গুনাগুন মূল্যায়ন করা;

(ঝ)      প্রাণিস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিষাক্ত গাছ-গাছড়া সনাক্তকরণ এবং ইহা থেকে পরিত্রাণের উপায় নির্ণয়;

(ঞ)      প্রাণীজ পণ্য সংগ্রহ, প্রক্রীয়াজাতকরণ এবং সংরক্ষণের উন্নত পদ্ধতি উদ্ভাবন, যা পণ্যের পচন রোধ করে এবং সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গুনগতমান বজায় রাখবে;

(ট)      প্রাণীসম্পদ এবং উৎপাদিত পণ্য/প্রাণীজ পণ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন উপাদানের উৎপাদন খরচ নির্ণয়;

(ঠ)      গবাদিপশু এবং এর বিভিন্ন পণ্যের বাজারজাতকরণ সমস্যাসমুহ সনাক্তকরণ এবং পণ্যের উপযুক্ত শ্রেণী বিন্যাস ও বাজারজাতকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবন/উন্নয়ন;

(ড)      প্রাণিসম্পদের উৎপাদন কৌশল এর উন্নয়ন;

(ঢ)      প্রাণিসম্পদের উপর গবেষণা সংক্রান্ত তথ্যাদি মাঠপর্যায়ে খামারীদের নিকট পৌঁছানো;

(ণ)      জাতীয় ভাবে গুরুত্ব বিবেচনায় প্রাণিসম্পদ বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সেমিনার, সভা এবং ওয়ার্কশপ আয়োজন;

(ত)      ইনস্টিটিউটের কার্যাবলীর উপর বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ; এবং

(থ)      এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যাবলী সম্পাদন।

৭.         বোর্ডের সভা- (১) যেইরূপ নির্দেশ করা হইবে সেইরূপ তারিখ, স্থান ও উপায়ে/পদ্ধতিতে বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, অন্যরূপ নির্দেশ না থাকিলে চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্ধারিত সময় ও স্থানে এইরূপ সভা অনুষ্ঠিত হইবে।

(২)        বোর্ড সভার কোরামপূরণ হইতে নূন্যপক্ষে পাঁচ জন সদস্য উপস্থিত থাকিতে হইবে।

(৩)       সকল বোর্ড সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাহার অনুপস্থিতিতে ভাইস চেয়ারম্যান এবং এতদুভয়ের অনুপস্থিতিতে চেয়ারম্যান কর্তৃক লিখিত ক্ষমতা প্রাপ্ত একজন সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।

(৪)        শুধুমাত্র বোর্ডের কোন সদস্যপদ শূন্য থাকিলে অথবা বোর্ড গঠনে কোন ত্রুটির কারণে বোর্ডের কোন কার্য অথবা কার্যধারা বাতিল হইবে না।

৮.         মহাপরিচালক- (১) ইনস্টিটিউটের জন্য একজন মহাপরিচালক থাকিবেন যিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়কাল এবং শর্তে নিযুক্ত হইবেন।

(২)        মহাপরিচালক ইনস্টিটিউটের একজন সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন এবং তিনি হইবেন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী।

(৩)       এই অর্ডিন্যান্সের বিধানাবলীর আওতায় মহাপরিচালক ইনস্টিটিউটের কার্য ও বিষয়াদির দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং বোর্ডের সিদ্ধান্তসমুহ যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন।

(৪)        মহাপরিচালক বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত অথবা নির্দেশিত অন্যবিধ কার্যাবলী সম্পাদন করিবেন।

(৫)        মহাপরিচালকের পদ শূন্য হইলে অথবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা অথবা অন্য কোন কারণে মহাপরিচালক তাহার কার্যালয়ের কার্যক্রম/দায়িত্ব সম্পাদনে অসমর্থ হইলে মহাপরিচালকের কার্য সম্পাদনের জন্য সরকার যেইরূপ যুক্তিযুক্ত মনে করিবেন সেইরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

৯.         কর্মকর্তা নিয়োগ ইত্যাদি - সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে ও সরকার কর্তৃক নির্দেশিত শর্তাধীনে ইনস্টিটিউট তার কার্যাবলী দক্ষভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে/উদ্দেশ্যে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবেন/পারেন।

১০.       কমিটি- বোর্ড ইনস্টিটিউটের কার্যাবলী যথাযথভাবে সম্পাদনে সহযোগিতার জন্য কোন কমিটির প্রয়োজন বোধ করিলে তদুনুরূপ কমিটি গঠন করিতে পারিবেন।

১১.        ক্ষমতার্পন- বোর্ড; উদ্ভুত কোন নির্দিষ্ট পরিস্থিতি বা অবস্থা, যদি থাকে; লিখিত বা বিশেষ আদেশ বলে তার কোন ক্ষমতা প্রয়োগে চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক, কোন সদস্য অথবা ইনস্টিটিউটের কোন কর্মকর্তা, যাঁকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাঁকে অর্পন করিতে পারিবেন। তবে শর্ত থাকে যে, ১৯ ধারা অধীনে প্রবিধি (রেগুলেশন) তৈরির কোন ক্ষমতা এ ধারানুসারে অর্পণ করা যাইবে না।

১২.       ইনস্টিটিউটের তহবিল- (১) ইনস্টিউিটের তহবিল গঠিত হইবে-

(এ) সরকার প্রদত্ত অনুদান দ্বারা;

(বি) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুদান হইতে;

(সি)            সরকারের নিকট থেকে ঋণ গ্রহণ অথবা সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে প্রাপ্ত ঋণ;

(ডি)            ইনস্টিটিউটের অর্জিত সম্পদের রয়্যালটি ও সেল প্রসিড (Sale Proceeds) হইতে প্রাপ্ত অর্থ;

(ই)  অন্য কোন উৎস হইতে প্রাপ্ত।

২)  প্রতিষ্ঠানের তহবিল কোন রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকে বা সরকার নির্ধারিত কোন তপশিলী ব্যাংকে জমা রাখতে হবে।

১৩.       ইনস্টিটিউটের বাজেট- ইনস্টিটিউট প্রতিবছর সরকার নির্ধারিত তারিখে প্রতি অর্থবছরের প্রাক্কলিত আয় ও ব্যয় এবং ঐ অর্থবছরের সরকারের নিকট হইতে প্রয়োজনীয় অর্থের অংক দেখাইয়া সরকারের অনুমোদনের জন্য একটি বাজেট দাখিল করিবে।

১৪.        হিসাব ও নিরীক্ষা - (১) ইনস্টিটিউট নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফরমে ইহার হিসাব সংরক্ষণ করিবে।

(২)  ইনস্টিটিউটের হিসাব কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল, এ অধ্যায়ে অডিটর জেনারেল হিসেবে উল্লেখ্য, যেইরূপ প্রযোজ্য মনে করিবেন সেইরূপে নিরীক্ষিত হইবে।

(৩)       উপধারা (২) অনুসারে নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে অডিটর জেনারেল অথবা এই কাজের জন্য তাহার নিকট থেকে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যে কোন ব্যক্তি ইনস্টিটিউটের সকল রেকর্ড, বহি, ডকুমেন্ট, নগদ জামানত (ক্যাশ সিকিউরিটি) ভান্ডার এবং অন্যান্য সম্পদ পরিদর্শন করিতে পারিবেন এবং প্রয়োজনবোধে ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান অথবা যে কোন সদস্য বা যে কোন কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন।

(৪) অডিটর জেনারেল যতশীঘ্র সম্ভব নিরীক্ষা সম্পাদন করিয়া বোর্ডের নিকট তাহার নিরীক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করিবেন এবং বোর্ড উহার উপর মতামত সহকারে তাহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিবে।

(৫) নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লিখিত/নির্দেশিত কোন ত্রুটি বা অনিয়মের নিরাময়ের লক্ষ্যে ইনস্টিটিউট অবিলম্বে ব্যবস্থা/পদক্ষেপ গ্রহণ করিবে।

১৫.       বার্ষিক প্রতিবেদন, ইত্যাদি দাখিল- (১) প্রত্যেক অর্থবছর শেষে যতশীঘ্র সম্ভব ইনস্টিটিউট সরকারের নিকট ইহার ঐ বছরের সম্পাদিত কার্যক্রমের উপর একটি বার্ষিক প্রতিবেদন দাখিল করিবে।

(২)        যে কোন প্রতিবেদন, রিটার্ন স্টেটমেন্ট, প্রাক্কলন, পরিসংখ্যান বা ইনস্টিটিউটের নিয়ন্ত্রণাধীন বিষয়ে অন্য কোন তথ্য ইনস্টিটিউটের নিকট সরকারের প্রয়োজন হইতে পারে এবং এইরূপ সকল চাহিদা ইনস্টিটিউট পূরণ করিবে।

১৬.       নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব বিলোপ, ইত্যাদি- (১) এই সময়ে বলবত অন্য কোন আইনে অথবা অন্য কোন প্রবিধি, কার্যবিবরণী অঙ্গীকারনামা, চুক্তি বা অন্য কোন দলিলে যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই আইন বলবত হওয়ার পরে-

(ক)  কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন স্টেশনটি- এর পর হইতে এই প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভূক্ত হইবে এবং ইহার অস্তিত্ব বিলুপ্ত হইবে।

(খ)  বর্ণিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যবহৃত বা উহার উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে লিখিত আদেশ দ্বারা সরকার কর্তৃক উল্লিখিত স্থাবর বা অস্থাবর পরিসম্পদ এবং সম্পত্তিসমুহ ইনস্টিটিউটের নিকট স্থানান্তরিত এবং অর্পিত বলিয়া গণ্য হইবে।

(গ) উক্ত সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মচারীগণ যাহাদেরকে সরকার লিখিত আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট করিয়াছে তাহারা ইনস্টিটিউটে স্থানান্তরিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে, এবং বদলীর অব্যবহিত পূর্বে তাহাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একই শর্ত অনুযায়ী তাহারা ইনস্টিটিউটকে সেবা দান করিবে।

তবে শর্ত থাকে যে, ইনস্টিটিউট সরকারের অনুমোদনক্রমে উক্ত শর্তাদি পরিবর্তন করিতে পারিবে। আরো শর্ত থাকে যে, যদি পরিবর্তনকৃত শর্তাদি যদি কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর স্বার্থের প্রতিকুল হইলে এমন কর্মকর্তা ও কর্মচারী তার মূল পদ ও চাকুরীতে প্রত্যাবর্তন করিতে পারিবে।

(২) উপধারা- (১) বর্ণিত বদলী এবং তৎসংক্রান্ত বিষয়ে কোন জটিলতা দূর করার জন্য সরকার এই আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে  যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবেন সেইরূপ আদেশ জারী করিবেন এবং এই আদেশ অত্র আইনের বিধানের অংশ হিসাবে কার্যকারিতা দেওয়া হইয়েছে বলিয়া ধরিয়া নেওয়া হইবে।

১৭.        দায় মুক্তি,- এই আইনের অধীনে সরল বিশ্বাসে করা হইয়েছে বা হইবে এমন কোন কাজের জন্য চেয়ারম্যান, মহাপরিচালক বা কোন সদস্য বা কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ/মামলা বা অন্য কোন আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না।

১৮.       বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা,- আইনের উদ্দেশ্য সাধনকল্পে সরকারী গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরকার বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন;

১৯.       প্রবিধি প্রণয়নের ক্ষমতা,- (১) যে সকল বিষয়ে বিধান করা প্রয়োজন অথবা এই আইনের বিধানাবলীর কার্যকারিতা প্রদানের উদ্দেশ্য সাধনের জন্য বোর্ড এই আইন বা তদোধীনে প্রণীত বিধির সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রবিধি প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

(২) এই ধারার অধিনে প্রণীত সকল প্রবিধানমালা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হইবে এবং অনুরূপ প্রকাশের তারিখ হইতে ইহা কার্যকর হইবে।

 

            ঢাকা;

  ১৭ই এপ্রিল, ১৯৮৪

এইচ এম এরশাদ, এনডিসি, পিএসসি

লেপ্টেন্যান্ট জেনারেল

রাষ্ট্রপতি

 

মোঃ আবুল বাশার ভূইয়া

উপ-সচিব

 

বিএলআরআই আইন বিএলআরআই আইন

Share with :
Facebook Facebook